নীড় পাতা » পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ » চাচা-ভাতিজা’র লড়াই জমবে বান্দরবানে

চাচা-ভাতিজা’র লড়াই জমবে বান্দরবানে

Bandarban-Election-Word7-Piচাচা-ভাতিজার লড়াই জমে উঠেছে পৌরসভা নির্বাচনে। বান্দরবান পৌরসভার ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদের জন্য লড়ছেন চাচা ইউসুফ আলী সিকদার এবং ভাতিজা মো: শামীম হোসেন। রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হওয়ায় চাচা লড়ছেন আওয়ামীলীগের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে এবং ভাতিজা বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছাড়াও চাচা-ভাতিজার দুজনের রাজনৈতিক পদেরও মিল রয়েছে দারুনভাবে। চাচা
ইউসুফ আলী সিকদার আওয়ামীলীগের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সভাপতি এবং আওয়ামীলীগের পৗরশাখা কমিটির বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। আর ভাতিজা মো: শামীম হোসেন বিএনপির ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সভাপতি এবং বিএনপির পৌরশাখা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক। এছাড়াও এই ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের আরো দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন শ্রমিকলীগের পৌরশাখা সভাপতি সামসুল হক সামু (স্বতন্ত্র) এবং শ্রমিকলীগের নেতা মোহাম্মদ জলিল (স্বতন্ত্র)।
স্থানীয় ভোটারের জানায়, ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৪ জন হলেও লড়াই হবে চাচা-ভাতিজার মধ্যে। দুজনই বৃহত্তর রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হওয়ায় লড়াই আরো জমে উঠেছে।
এদিকে নির্বাচনের আরো বেশকিছু বাকী থাকলেও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে শ্রমজীবি মানুষের ওয়ার্ড ৭ নাম্বারে। আর্মীপাড়া, শেরেবাংলা নগর, ওয়াবদাব্রীজ এবং মেম্বারপাড়ার একাংশ নিয়ে গঠিত ওয়ার্ডের চায়ের দোকানগুলোতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে নির্বাচনের। গভীররাত পর্যন্ত এলাকাগুলোতে দোকানে চায়ের কাপে ঝড় তোলছে ভোটার কর্মী-সমর্থকেরা। বিগত পৌর নির্বাচনগুলোতে চাচা-ভাতিজা দুজন একাধিকবার দলীয় এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হলেও কাউন্সিলর হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি দুজনের কারোর-ই। তবে এবার জয়ের ব্যাপারে সমান আশাবাদি চাচা-ভাতিজা দুজনই। চাচা আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী ইউসুফ আলী সিকদার বলেন, আত্মীয়তার সর্ম্পক থাকলেও রাজনৈতিক মতাদর্শ দুজনের ভিন্ন। জনগন আমার সঙ্গে আছেন। সকলের ¯েœহ-ভালোবাসায় জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি।
অপরদিকে ভাতিজা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো: শামীম হোসেন বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় এবং জনগনের জন্য কে কতবেশি আন্তরিক তারই প্রতিফলন ঘটবে ভোটে। ভোটের মাঠে চাচা-ভাতিজার পরিচয় গুরুমত্ব পাবেনা। জয়ের ব্যাপারে আমার শতভাগ আত্মবিশ্বাস আছে। জনগন মূল্যবান ভোট দিয়ে আমায় নির্বাচিত করে জনগনের সেবা করার সুযোগ দিবেন।
এদিকে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার রিয়াজ উদ্দিন জানান, ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ৩২৭ ভোট। তারমধ্যে পুরুষ ১৪৪০ এবং মহিলা ৮৮৭ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১টি এবং বুথকক্ষের সংখ্যা হবে ৭টি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply