নীড় পাতা » ব্রেকিং » চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গওহর-সন্তু-আনোয়ারুল বিশেষ সভা

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গওহর-সন্তু-আনোয়ারুল বিশেষ সভা

goar-rijbeপার্বত্য শান্তিচুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী।

শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি-বিরোধ নিস্পত্তি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

গওহর বিজভী বলেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টা আছে। আর পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রচুর কাজ হচ্ছে। চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নে অসমাপ্ত কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে উভয়পক্ষ কাজ করছে।

সভায় অংশ নেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
DSC00008
গওহর রিজভী বলেন, আজকের সভায় আমরা চুক্তি বাস্তবায়নে মূলত কি কি অগ্রগতি হয়েছে, কি কি বিষয় অনিস্পন্ন রয়েছে সেগুলো নিয়ে আলাপ করেছি।

“আমরা খুবই আশাবাদী। যে কাজগুলো এতদিন ধরে আগাচ্ছে সেগুলো খুব ‍দ্রুত সম্পন্ন হবে। চুক্তি বাস্তবায়নের কাজও দ্রুত আগাচ্ছে।”

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের জন্যই তো চুক্তি হয়েছে। চুক্তি হওয়ার পর কোন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ এগিয়েছে সেটা সম্পর্কে আপনারা সবাই অবহিত আছেন। DSC00014

“তবে আমি আশাবাদী মানুষ। মানুষ তো আশা নিয়ে সামনে পথ চলে। সামগ্রিক বাস্তবতা আমলে নিয়ে মানুষ নিজস্ব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে আমরাও তাই করব”।

মিটিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আজকে ভূমি-বিরোধ বিষয়ে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করছি সেটা একটা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন-২০০১ এর কিছু সংশোধনী নিয়ে আমরা চুড়ান্ত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সিদ্ধান্তগুলো কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এসব সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কমিশনকে আরো অর্থবহ ও কার্যকর করে তুলা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

“৩৩ টি বিষয়ের মধ্যে আমরা তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি বাদে ৩০ টি বিষয় হস্তান্তর করেছি। এসব বিষয়গুলো বাস্তবায়ন হলে ভূমি নিয়ে যে জটিলতা চলছে সেটা হয়ত নিস্পত্তি হওয়ার একটি ভিত্তি খুঁজে পাবে।“

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, শান্তি‍চুক্তির একটি ধারা বলে ভূমি-কমিশন গঠিত হয়েছে। ভূমি-বিরোধ কমিশন গঠন শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের একটি শর্ত। ভূমি-কমিশন গঠন করে আমরা একধাপ এগিয়ে গেছি। ভূমি সমস্যা প্রধান সমস্যা। সেটা সমাধানে কাজ করছি আমরা সবাই।

বৈঠকে সন্তু লারমার সাথে জনসংহতি সমিতির নেতা গৌতম চাকমা,কে এস মং উপস্থিত ছিলেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমণ কমছে

প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং থানা পুলিশের তৎপরতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমন হার কমছে। কাপ্তাই উপজেলা …

Leave a Reply

%d bloggers like this: