নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » গৃহবধূ প্রীতি ত্রিপুরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত

গৃহবধূ প্রীতি ত্রিপুরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত

খাগড়াছড়িতে নিহত গৃহবধূ প্রীতি রানী ত্রিপুরার (২৮) মৃত্যুরহস্য উন্মোচিত হয়েছে। বাঙালি যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকার অভিযোগে তাকে হত্যা করা হয় বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন দুই আসামি ধন লাল ত্রিপুরা এবং কল্প ত্রিপুরা। তারা বলেন, প্রীতি ত্রিপুরার সঙ্গে এক বাঙালি যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন প্রীতি। এক পর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশটি সিএনজিতে করে দীঘিনালা সড়কের রাবার বাগান এলাকায় ফেলে আসা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি গত সোমবার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি রেকর্ড করেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাসান। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম আফছার বলেন, ২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রাতে উভয় আসামি প্রীতিকে শহরের খাগড়াপুর এলাকার একটি ক্লাবে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আসামিরা বাঙালি যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কারণ জানতে চায়। এক পর্যায়ে প্রীতি চিৎকারের চেষ্টা করেন। এ সময় তার মুখে টেপ লাগানো হয়। আরেকজন মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে প্রীতির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা ভিকটিমের মোবাইল ফোনের কল ডিটেলস পরীক্ষা করি। বুঝতে পারি-গত বছরের জানুয়ারি থেকে সন্দেহভাজন আসাদুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই সূত্রে আসাদুল ও আল আমিন নামে তার এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর সোমবার ধন লাল ত্রিপুরা এবং কল্প ত্রিপুরাকে গ্রেপ্তার করলে ‘আসল সত্য’ বেরিয়ে আসে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদ বলেন, দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর মঙ্গলবার আসাদুল ও আল আমিনকে জামিনে মুক্তির আদেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নতুন ২০ জনসহ রাঙামাটিতে শনাক্ত বেড়ে ৬৭৭

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার আসা রিপোর্টে জেলায় নতুন …

Leave a Reply