নীড় পাতা » ব্রেকিং » গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সকলে এগিয়ে আসতে হবে : নব বিক্রম

গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সকলে এগিয়ে আসতে হবে : নব বিক্রম

ফাইল ছবি

ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় যারাই অংশ নিয়েছেন; সকলেই অনলাইন শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যেন কিউবিদ্যার মত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে গুনগত শিক্ষা অর্জন করতে পারে সেজন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনাও করেছেন তাঁরা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ‘প্রো বেটার লিভিং (পিবিএল) বাংলাদেশ প্রাইভেট লি’ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘কিউবিদ্যা বাংলাদেশ’র আনুষ্ঠানিক শুভযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। সভায় অশোক কুমার চাকমা ও ঝুমালিয়া চাকমার যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

আলোচনায় আরও অংশ নেন- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য ও শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জোবাইদা নাসরিন, রাঙামাটি বিএম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান এবং খাগড়াছড়ির জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা প্রমুখ।

‘শিক্ষার জন্য ভালোবাসা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সক্ষমতা বিকাশে সহজতর ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই অনলাইন শিক্ষার প্ল্যাটফম ‘কিউবিদ্যা বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করেছে। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ‘কিউ বিদ্যা কি ও কেন?’ এর ওপর আলোকপাত করেন কিউ বিদ্যার উপদেষ্টা অধ্যাপক রণজ্যোতি চাকমা।

ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রধান অতিথি নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন, ‘সরকারের এসডিজি- ৪ এর অভীষ্ট অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। করোনাকালীন পরিবেশে অনলাইন শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে কিউবিদ্যার এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। উন্নয়নের সকল সূচকের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা প্রসারে কিউবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

এসময় তিনি কিউবিদ্যার শিক্ষা উদ্যোগ বাস্তবায়নে উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে করা সম্ভাব্য সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এছাড়া পাার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনাধীন চারটি আবাসিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর লক্ষে পরীক্ষামূলকভাবে কিউ বিদ্যার সঙ্গে কাজ করা যেতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, ‘অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু সমস্যা রয়েছে। যেমন প্রত্যন্ত এলাকায় অনেক জায়গায় মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। সরকারিভাবে টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস চালু করা হলেও প্রত্যন্ত এলাকায় অধিকাংশ গ্রামে টেলিভিশন নেই। টেলিভিশন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ নেই। দারিদ্র্যতার কারণে অধিকাংশ অভিভাবকের অনলাইন শিক্ষার সুযোগ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার সামর্থ্য নেই।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

মহালছড়িতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মনাটেক গ্রামে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর আড়াইটায় মনাটেক …

Leave a Reply