নীড় পাতা » আইটি কর্ণার » গুগলের হাতেই সেই ‘ভয়ংকর’ কম্পিউটার?

গুগলের হাতেই সেই ‘ভয়ংকর’ কম্পিউটার?

google

বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রযুক্তি বিশ্বের একটি বহুল আলোচিত শব্দ হচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। বলা হয়ে থাকে—এই কম্পিউটারের নাগাল যে বা যারা পাবে, তারাই পুরো বিশ্বের নিয়ন্ত্রক হবে। সম্প্রতি ফাঁস হয়ে যাওয়া এক গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, গুগল এরই মধ্যে তৈরি করে ফেলেছ কোয়ান্টাম কম্পিউটার। তবে কি গুগলের হাতেই সত্যিই সেই ‘ভয়ংকর’ কম্পিউটার?

ঘটনার শুরু চলতি মাসেই। এত দিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট নানা গবেষণা ও বিভিন্ন টেক জায়ান্টদের প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড় নিয়ে মেতে থাকত প্রযুক্তি বিশ্ব। কিন্তু ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাস নতুন আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। এখন মনে করা হচ্ছে, শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল সবার আগে পেয়ে গেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নাগাল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেয়নি গুগল। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কোনো মন্তব্যও করেনি। আবার অস্বীকারও করেনি।

সম্প্রতি ফাঁস হয়ে যাওয়া এক গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, গুগল এরই মধ্যে তৈরি করে ফেলেছ কোয়ান্টাম কম্পিউটার। ছবি: সংগৃহীতবেশ কয়েক বছর ধরেই প্রযুক্তি বিশ্বের একটি বহুল আলোচিত শব্দ হচ্ছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার। বলা হয়ে থাকে—এই কম্পিউটারের নাগাল যে বা যারা পাবে, তারাই পুরো বিশ্বের নিয়ন্ত্রক হবে। সম্প্রতি ফাঁস হয়ে যাওয়া এক গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, গুগল এরই মধ্যে তৈরি করে ফেলেছ কোয়ান্টাম কম্পিউটার। তবে কি গুগলের হাতেই সত্যিই সেই ‘ভয়ংকর’ কম্পিউটার?

ঘটনার শুরু চলতি মাসেই। এত দিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট নানা গবেষণা ও বিভিন্ন টেক জায়ান্টদের প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড় নিয়ে মেতে থাকত প্রযুক্তি বিশ্ব। কিন্তু ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাস নতুন আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। এখন মনে করা হচ্ছে, শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল সবার আগে পেয়ে গেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নাগাল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেয়নি গুগল। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কোনো মন্তব্যও করেনি। আবার অস্বীকারও করেনি।

ফোর্বসের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, সম্প্রতি গুগলের গবেষক দলের তৈরি একটি গবেষণাপত্র যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা–র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। পরে সেটি আবার ওয়েবসাইট থেকে সরিয়েও নেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভুলক্রমে ওই গবেষণাপত্রটি আপলোড করা হয়েছিল। তবে সেই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই অনেকে গবেষণাপত্রটি পড়ে ফেলতে বা ডাউনলোড করে ফেলেন। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফাঁস হয়ে যাওয়া এই গবেষণাপত্রটি চূড়ান্ত নয়, খসড়া। ধারণা করা হচ্ছে, গবেষণাপত্র চূড়ান্ত করার আগে এই খসড়াটি তৈরি করা হয়েছিল। পরে ভুলক্রমে তা প্রকাশ হয়ে গেছে।

ওয়্যারড-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুগলের ওই গবেষণাপত্রে ‘কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি’ অর্জনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত আছে। সংশ্লিষ্ট মূল গবেষণাকর্মটি এরই মধ্যে গ্রহণ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার, তবে তা এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফাঁস হওয়া গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে যে, গবেষকেরা তাঁদের আবিষ্কৃত কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে একটি বিশেষ গাণিতিক সমস্যার সমাধান মাত্র তিন মিনিটে করতে পেরেছেন। অথচ বর্তমানের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার দিয়ে ওই একই গাণিতিক সমস্যার পূর্ণ সমাধান করতে সময় লাগবে প্রায় ১০ হাজার বছর। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং করতে সক্ষম ‘সেকামোর’ নামের একটি বিশেষ চিপ ব্যবহার করেছে গুগল, যাতে আছে ৫৩ কিউবিটস (কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মৌলিক একক)। প্রথাগত কম্পিউটার বিটসের চেয়ে বহুগুণ বেশি কাজ করতে পারে কিউবিটস।

প্রশ্ন হলো, কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি কী? বর্তমানের সাধারণ কম্পিউটারের সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মূল পার্থক্য হলো—কোয়ান্টাম মেকানিজমের জটিল অনেক সমস্যার সমাধান কোয়ান্টাম কম্পিউটার এক তুড়িতে করে ফেলতে পারে। ওই একই সমস্যার সমাধান করতে হালের সর্বাধুনিক কম্পিউটারের লেগে যায় শত থেকে হাজার হাজার বছর। এই বিষয়টিকেই বলা হয়ে থাকে কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি। অর্থাৎ যখন কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান বা দেশ ওই সব জটিল সমস্যার সমাধান অত্যন্ত কম সময়ে করতে পারবে, তখনই বলা হবে যে তারা কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি অর্জন করেছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই গুগলের অর্জনকে অভাবনীয় বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ফাঁস হয়ে যাওয়া গবেষণাপত্র অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি অর্জন করতে পেরেছে। অনুমান করা হচ্ছে, চলতি বছরেই গুগল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

Micro Web Technology

আরো দেখুন

উঠে যাচ্ছে ফেসবুকের লাইক দেখার অপশন!

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। ভিডিও, ছবি এবং টেক্সট আকারে প্রতিদিনের আপডেট দেওয়ার একটি …

Leave a Reply