নীড় পাতা » পাহাড়ের রাজনীতি » ‘গরীব পাহাড়ীর সাথে গরীব বাঙালীর যে বিরোধ, তা শাসকদেরই তৈরি’

‘গরীব পাহাড়ীর সাথে গরীব বাঙালীর যে বিরোধ, তা শাসকদেরই তৈরি’

Basod পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের অবরোধ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় ‘পাহাড়ী গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাসদ (মার্কসবাদী), রাঙামাটি জেলা শাখার সমন্বয়ক বোধিসত্ব চাকমা।
শনিবার রাতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়,‘সকালে অবরোধ চলাকালে ছাত্রলীগ হ্যাপী মোড় হতে একটি অবরোধ বিরোধী মিছিল বের করলে জর্জ কোট এলাকায় দু‘পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এক সময় এই সংঘর্ষ পাহাড়ী-বাঙ্গালী সাম্প্রদায়িক সংঘাতের রূপ নেয়। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। মূলত: প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তার কারণে এই সাম্প্রদায়িক হামলা সংঘটিত হতে পেরেছে। প্রায় আড়াই-তিন ঘন্টা ধরে এই হামলা চললেও প্রশাসন ছিল নিশ্চুপ। প্রথম হতে প্রশাসন সক্রিয় হলে এই সাম্প্রদায়িক হামলা সংঘটিত হতে পারতো না। ফলে প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞান ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা প্রশাসনের এহেন দায়িত্বহীনতারও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে বলা হয়,‘এদেশের বুর্জোয়া শাসকরাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে তৈরি করেছে ও তা জিইয়ে রেখেছে। আজ গরীব পাহাড়ীর সাথে গরীব বাঙ্গালীর মধ্যে যে বিরোধ তাও এই শাসকদেরই তৈরি। বুর্জোয়া শাসক দলগুলো তাদের শোষণনীতির স্বার্থে এই অঞ্চলে সাম্প্রদায়িকতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এতে সাধারণ গরীব বাঙ্গালী ও গরীব পাহাড়ী কারও স্বার্থ নেই। বরং, পাহাড়ী-বাঙ্গালী গরীব মানুষকে আজ এই সমস্যা সমাধানের জন্য শাসকদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। একমাত্র এভাবেই পার্বত্য চট্টগ্রামের গরীব মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে। আর পাহাড়ী-বাঙ্গালী বিরোধ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সমাধান আনতে পারবে না। তা শাসকগোষ্ঠীর শোষণের হাতকে শক্তিশালী করবে।’
তাই সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লকডাউনে ফাঁকা খাগড়াছড়ি, বাড়ছে শনাক্ত

সারা দেশের মতো দ্বিতীয় দফায় সরকারের ঘোষিত লকডাউন চলছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে। প্রথম দফার লকডাউন …

Leave a Reply