নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » খাগড়াছড়িতে পাকুয়াখালী গণহত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

খাগড়াছড়িতে পাকুয়াখালী গণহত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়াকে হত্যার বিচার দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ। সোমবার দুপুরে সংগঠনটির জেলা শাখার উদ্যোগে সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীসহ পাকুয়াখালী হত্যাকান্ডের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা অংশ নেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর এলাকার শাপলা চত্বরে এসে মাববন্ধন করে।

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন, পাকুয়াখালী গণহত্যার সময় লাশ শনাক্তকারী আব্দুল হাকিম, গণহত্যার সময় বেঁচে ফেরা একমাত্র কাঠুরিয়া মো. ইউনুছ মিয়া, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জি. আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সন্তু লারমার নেতৃত্বে তৎকালীন শান্তি বাহিনীর সদস্যরা পাকুয়াখালীতে ৩৫ নিরীহ বাঙালি কাঠুরিয়াদের মিথ্যা আশ^াস দিয়ে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। দীর্ঘ ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই গণহত্যার বিচার হয়নি। বরং হত্যাকারীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করেছে সরকার। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও একপেশে সুবিধা ভোগ করার কারণে পাহাড়ে খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি করছে অবৈধ অস্ত্রধারীরা। তাই পাহাড়ে বাঙালিদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে। এসময় প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্পগুলো প্রতিস্থাপন করারও জোর দাবি জানান বক্তারা।

বক্তারা মানবন্ধন থেকে অবিলম্বে পাকুয়াখালী হত্যাকান্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল হত্যাকান্ডের ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ ও সরকারিভাবে পুনর্বাসনের দাবি জানান।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

র‌্যাবের স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়নের জন্য ৬৭৭ জনবল

পুলিশ অধিদফতরের আওতাধীন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সাংগঠনিক কাঠামোতে একটি স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১৫) জন্য …

Leave a Reply