ক্ষমা চেয়ে এবং জেলে গিয়েও পাড় পেলেন না ২১ ছাত্রলীগ নেতা !

sadek-(3)ছাত্রলীগের জেলা সম্মেলনে কাংখিত পদ না পেয়ে কেন্দ্রীয় নেতা ও বিরোধী পক্ষের উপর হামলার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। এজন্য তারা পায়ে ধরে ক্ষমাও চেয়েছেন বান্দরবানের আওয়ামীলীগের ভাগ্যবিধাতা বীর বাহাদুরের কাছে। হামলার ঘটনায় মামলাও হয়েছে এবং জেলেও আছেন সাতজন। তবুও পাড় পেলেন না বান্দরবান ছাত্রলীগের ২১ নেতাকর্মী। তাদের দল থেকে বহিষ্কারের মাধ্যমে কার্যত ছেটে ফেলা হলো,বান্দরবানে বীর বাহাদুরের বিরুদ্ধচারণ করা আরো কিছু নেতাকর্মীকে !
গত সোমবার রাতে পার্বত্য জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জরুরি সভায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২১ নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে আহসান রুমু বান্দরবান কলেজ ছাত্রলীগের বিদায়ী সভাপতি।
অভিযুক্ত এই নেতারা বীর বাহাদুরের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইছেন,এমন দৃশ্য সম্বলিত ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন বীর বাহাদুরের সহকারি একান্ত সচিব ও জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক সাদেক হোসেন চৌধুরী।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. মজিবর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মীপদ দাশ, সহ-সভাপতি ইসলাম বেবীসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বহিষ্কৃতরা হলেন- ছাত্রলীগ নেতা আহসানুল আলম রুমু, মো. ইমরান উদ্দিন বাবু, সাইফুল ইসলাম, আরিফ, ফরহাদ হোসেন, রুবেল, রোকন, তারেক, এন এ জাকির, শিমুল দাশ, পলাশ, পংকজ, বাবু, তাপস দাশ, রাজু, রনি মল্লিক, মেহেদি হাসান মানিক, জলিল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইব্রাহীম, যুবলীগ নেতা বাপ্পি মল্লিক ও মোমেন।
এদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা আহসানুল আলম রুমু, জাকির হোসেন, মো. আরিফ, সাইফুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা বাপ্পি মল্লিক, সোহরাব হোসেন কুট্টি ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. ইব্রাহিম বর্তমানে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় জেল হাজতে রয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনে হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করে তারা লিখিতভাবে ও সশরীরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের কাছে ক্ষমা চান অভিযুক্তরা। কিন্তু সম্মেলনে হামলার ঘটনাটি ব্যাপকভাবে সমালোচিত ও দলীয় কোন্দল তৈরি হওয়ায় ২১ নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদুর রহমান চৌধুরী (রাশেদ) জানান, ছাত্রলীগের সম্মেলনে হামলার ঘটনায় তাদেরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ০৬ জুন রাজার মাঠে আয়োজিত সম্মেলন চলাকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতেই ছাত্রলীগের একাংশ হামলা চালায়। এ হামলায় সম্মেলন পন্ড হয়ে যায় ও উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা কমিটি ঘোষণা না করেই পুলিশী পাহারায় বান্দরবান ত্যাগ করেন।
এরও আগে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে দল থেকে বহিস্কৃত হন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রসন্ন তংচঙ্গ্যা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

Leave a Reply