নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » ক্রীকে মাছ চাষে বদলে যাচ্ছে পাহাড়

ক্রীকে মাছ চাষে বদলে যাচ্ছে পাহাড়

22‘একসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের মাছ বলতে সবাই কাপ্তাই হ্রদের মাছকেই বোঝাতো এবং এর উপরই নির্ভরশীল ছিলেন, কিন্তু এই অঞ্চলে ক্রীক সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন পদ্ধতির মাছ চাষের উদ্যোগের ফলে এই অঞ্চলে মাছ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে,মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে,বদলে যাচ্ছে সমাজচিত্রও।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারন প্রকল্প ৩ য় পর্যায়ের অগ্রগতি বিষয়ক মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেছেন মৎস অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

তিনি মৎস্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্রীক পদ্ধতির মাছ চাষের ব্যাপারে জনগনকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করনের পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় সৃষ্ট ক্রীক গুলোতে যথাযথ পদ্ধতিতে মাছ চাষের বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

ক্রীক পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে এক নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন, পার্বত্য জেলার মাছ চাষীদের জন্য ক্রীক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষ এক নতুন দিগন্ত উম্মোচনে সহায়ক হবে।33

মত বিনিময় সভায় জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ, উন্নয়ন ও সম্প্রসারন প্রকল্প-৩য় পর্যায়ের আওতায় ৬৮ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের অন্যান্য কর্মমূচীর পাশাপাশি মোট ৮০৩ টি ক্রীক নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে ২৩৩ হেক্টর জমিতে ২০০ টি ক্রীক এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে  এবং এর বেশিরভাগেই  মাছ উৎপাদনও শুরু হয়েছে।

শনিবার রাঙামাটি জেলা মৎস্য অফিসে অনুষ্ঠিত এই মত বিনিময় সভায় মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক ড. একেএম আমিনুল হক, বান্দরবানের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা খন্দকার আখতারুজ্জামান ও মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারন প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুল হান্নান মিয়া বক্তব্য রাখেন। সভায় তিন পার্বত্য জেলার মৎস্য বিভাগে কর্মরত সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহকারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান কুজেন্দ্রের

কভিড-১৯ মহামারী উত্তরণে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য …

Leave a Reply