নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » ‘কোন কোন মৃত্যু বালি হাঁসের পালকের চাইতেও হাল্কা, কোন মৃত্যু পাহাড়ের চাইতেও ভারি’

‘কোন কোন মৃত্যু বালি হাঁসের পালকের চাইতেও হাল্কা, কোন মৃত্যু পাহাড়ের চাইতেও ভারি’

Children-rally2‘কোন কোন মৃত্যু বালি হাঁসের পালকের চাইতেও হাল্কা, আর কোন কোন মৃত্যু থাই পাহাড়ের চাইতেও ভারী। যারা দেশ ও জনগণের বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য আত্মাহুতি দেন তাদের জীবন মহিমান্বিত, আমরা তাদের সর্বাগ্রে স্মরণ করি। পার্বত্য চট্টগ্রামে তথা এই অঞ্চলে যদি সুখী ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে তারাই এভাবে সম্মানিত হবেন। এ মহান কাজে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে সমাজ জাতির সামগ্রীক উন্নয়ন ও মঙ্গলের জন্য আমাদের পার্টি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
বৃহস্পতিবার ইউপিডিএফ এর ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে এইসব কথা বলেন সংগঠনটির প্রধান প্রসিত বিকাশ খীসা। তিনি আরো বলেন,‘এই অঞ্চলের জনগণের অধিকার, সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তাদের সম্মান জানাই। যতদিন এই সমাজ ঠিকে থাকবে, যতদিন এই জগৎ ঠিকে থাকবে ততদিন যারা জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন তারা স্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
প্রসিত খীসা বলেন, ‘আমাদের ক্ষমতা সীমিত, পার্টি হিসেবে আমারা প্রশাসনিক ক্ষমতা পালন করিনা, রাজনৈতিক ক্ষমতাও আমাদের নেই। কিন্তু আমরা চাই এর মধ্য দিয়ে অন্যরাও যাতে সহযোগীতায় এগিয়ে আসে এবং এই বোধ জাগ্রত হয়। আমাদের শিশুদের সহযোগিতার পরিবেশ দরকার। পুরনো ঘুনেধরা অফিস কেন্দ্রীক বা বাইরের আয়াসের মধ্যে থেকে নয়, জীবন সংগ্রামের বাস্তবতা, পরিবেশ এবং সমস্ত প্রতিকূলতা যেন নিজেরা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়।’

‘আজকে যে শিশুরা বেলুন হাতে দাড়িয়ে আছে, হাতে ফুলের তোরা এবং রঙিন রিবন দেখা যাচ্ছে, তাদের এই উৎসব, এই হাসি যাতে স্থায়ী হয়। তাদের এই আনন্দঘন মুহুর্তগুলো যাতে কেউ কেড়ে নিতে না পারে। তাদের ভবিষ্যত যাতে নিরাপদ নিশ্চিত হয় এবং তারা যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে সবার জন্য অবদান রাখতে পারে।’

প্রসিত খীসা আরো বলেন, ‘আজকের কনকনে ঠান্ডার দিনে দাঁড়িয়ে এই বিষয়গুলো হয়তোবা তারা উপলব্ধি করতে পারবে না কিন্তু আগামী ১০-১২ বছর পরে তারা অনেক স্মরনীয় দিনের মধ্যে আজকের এই দিনটা স্মরণ করবে, মনে রাখবে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই ধরনের পরিবেশ আমরা পাইনি। আমরা যদি পরিবেশ পেতাম তাহলে আমরা অনেক কিছু শিখে নিতে পারতাম। সরকার প্রশাসন আমাদের সহায়ক ছিল না। শুধু এই অঞ্চলে নয়, গোটা দেশে যদি বলি সবাই সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না। কেবল গুটিকয়েক যারা ননী খেয়ে বড় হচ্ছে তারাই সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। সত্যিকারের যারা অবহেলিত বঞ্চিত সেই শিশুদের এমন পরিবেশ দরকার। আমরা তেমন কিছু দিতে পারছি না। এই শিশুরা যদি আজকের দিনটা জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হিসেবে মনে রাখে, শীতার্ত সকালে দাড়িয়ে কিভাবে অনুষ্ঠান করতে হয় তা শেখে সেটাই হবে তাদের জীবনের বড় পাওনা। আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে তারা কিছুটা হলেও প্রেরণা লাভ করবে সেটাই কামনা করি।’P1020994

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্য বিভাগকে সুরক্ষা সামগ্রী দিলো রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্ট

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটির ১২টি সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহে স্বাস্থ্য …

Leave a Reply

%d bloggers like this: