নীড় পাতা » পাহাড়ে নির্বাচনের হাওয়া » কোথা থেকে প্রচারণা শুরু করবেন হেভিওয়েটরা

২৯৯ নং রাঙামাটি আসনে

কোথা থেকে প্রচারণা শুরু করবেন হেভিওয়েটরা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৯৯ নং রাঙামাটি আসেন যে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে, তারা সকলেই নির্বাচনী প্রচারণানর জন্য ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রচারণার শুরুর প্রথম দিন থেকেই মাঠে নেমে পরবেন এমনটাই জানিয়েছে দলগুলোর নির্বাচনী প্রচার সেলের প্রধানগণ।

আওয়ামীলীগের প্রার্থী দীপংকর তালুকদারের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান হাজী মো. কামাল উদ্দিন জানান, আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারনা করার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার, তাই আমরা অফলাইন-অনলাইন দুভাবেই প্রচারণা চালাবো। এর মধ্যে আমরা দাদা’র প্রচারণার সিডিউল করেছি; সে মোতাবেক প্রচারণা চলবে। আমাদের প্রার্থী সাজেক থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনর শুরু করবেন এবং ২৭ তারিখ কাউখালী প্রচারণা করে রাঙামাটি পৌর এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে শেষ করবেন।

হাজী কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশে সব থেকে বড় সংসদীয় আসন এটি, তারপর আবার দুর্গম। তাই সব জায়গায় যাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে, সেক্ষত্র স্ব স্ব এলাকার নেতাকর্মীরা প্রচারণা চালাবেন। নির্বাচনী প্রচারনার জন্য একাধিক কমিটি করা হয়েছে, তারা সকলে স্ব স্ব ক্ষত্রে প্রচারণা চালাবে। এছাড়া প্রচারণার জন্য মাইকসহ অন্যান্য উপকরণ আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। তবে মাইকে প্রচারণা মূলত শুরু হবে বিজয় দিবসের দিন থেকে।

অপর দিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনা কমিটির সদস্য সচিব আবুল হোসেন বালি জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচকে কেন্দ্র করে প্রচারণার যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। অফলাইন-অনলাইন দুভাবেই প্রচারনা চলবে। আমরা মনি স্বপন দার সফরসূচি চূড়ান্ত করেছি। সে হিসেবে ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায় তবলছড়ি বাজারে সমাবেশের মাধ্যমে প্রচানরা শুরু হয়ে কাপ্তাই উপজেলায় সমাবেশের মাধ্যমে প্রচারণা শেষ করবো।

তিনি আরও বলেন, আমরা একাধিক টীম করেছি, প্রতিটি টীম সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে প্রচারণা চালাবে। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে মাইকিং শুরু করবো বিজয় দিবসের দিন থেকে। আমাদের মাইকসহ অন্যান্য উপকরণও হাতে এসে গেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) স্টাফ সদস্য ও নির্বাচনী কোর-কমিটির প্রধান উদয়ন ত্রিপুরা বলেন, আমাদের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা হবে আগামী ১৩ তারিখ রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা থেকে। এ প্রচারণা শেষ করা হবে রাঙামাটি সদরে। তিনি বলেন, আমরা প্রতীক বরাদ্দের দিন দু’য়েক পর থেকেই মাইকিং শুরু করবো।

অফলাইন-অনলাইনে প্রচারণা চালাবেন কী না এমন প্রশ্নে তিনি বিলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী প্রচারণা চালিয়ে যাবে। যাতে কেউ কোনো ধরনের অভিযোগ দিতে না পারে।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী পারভেজ তালুকদার, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী জুঁই চাকমা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জসিম উদ্দিনও নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন জানা গেছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বান্দরবানে ডেঙ্গুরোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সারাদেশে ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় আর এডিস মশার প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু রোগ থেকে সকলকে …

Leave a Reply