নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » কিংবদন্তী নৃত্যশিল্পী দেলওয়ার হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কিংবদন্তী নৃত্যশিল্পী দেলওয়ার হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

pic...1শহীদ আব্দুস শুক্কুরের পিতা ও রাঙামাটির গুণী নৃত্য শিল্পী দেলোয়ার হোসেনের ১৭তম মৃৃত্যুবার্র্র্ষিকী শুক্রবার পালিত হয়েছে। মরহুম দেলোয়ার হোসেন ছিলেন রাঙামাটির সাংস্কৃতিক জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। চাকমা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী জুম নৃত্য, শিকারী নৃত্য, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বোতল নৃত্য, গড়াইয়া নৃত্য ও মারমা সম্প্রদায়ের বাঁশ নৃত্য তাঁরই হাতে কম্পোজ করা। নৃত্যের পাশাপাশি তিনি তবলা, এস্রাজ, বেহালা, সেতার ও হারমোনিয়াম বাজাতে পারতেন সমান দক্ষতায়।

সংস্কৃতিতে তাঁর বিভিন্ন স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৯ সালে ২৭ এপ্রিল নৃত্য এবং যন্ত্র সংগীতে রাঙামাটি প্রকল্পনা সাহিত্যাঙ্গন থেকে তাকে গুণীজন হিসেবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং ২০০১ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে তাঁকে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও মরণোত্তর সম্মাননা পদকে ভূষিত করা হয়।

জীবনের প্রথমদিকে ভারতের আসামে চাকুরীরত অবস্থায় আসামের মেয়ে ভার্র্ণার প্রেমে পড়েন। ভার্ণার সাথেই তিনি ১৯৪৫ সালে আমেরিকায় গিয়ে তাকে বিয়ে করেন। ১৯৪৭ সালে দেশে চলে আসার পর দেশের সংস্কৃতিসেবায় ডুবে যান। পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে ভার্র্ণার মৃত্যুর পর সুরত জামালের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। ১৯৬৩ সালে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা বোর্ডে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করে এবং তৎকালীন পাকিস্তান আর্টস কাউন্সিলের নৃত্য শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এছাড়াও তিনি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, শিল্পকলা একাডেমী ও শিশু একাডেমীতে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর ছয় ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে আবদুস শুক্কুর ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে শহীদ হন।

পিতা মরহুম হাজি আমজু মিয়া ফকিরের সাত ছেলে সাত মেয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৯১৯ সালের ১ জানুয়ারি তিনি চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার চরণদ্বীপ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুমিল্ল¬ার নিজ পুত্রের কর্মস্থলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমণ কমছে

প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং থানা পুলিশের তৎপরতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমন হার কমছে। কাপ্তাই উপজেলা …

Leave a Reply