নীড় পাতা » রাঙামাটি » কাল্পনিক স্বপ্ন হয়ে আছে রাইখালী লিচুবাগান-কর্ণফুলি সেতুটি

কাল্পনিক স্বপ্ন হয়ে আছে রাইখালী লিচুবাগান-কর্ণফুলি সেতুটি

কাল্পনিক স্বপ্ন হয়ে আছে রাইখালী, লিচুবাগান, কর্ণফুলী সেতুটি। একটি সেতুর অভাবে প্রতিদিন শতশত মানুষকে চড়ম দুর্ভোগে শিকার হচ্ছে।

রাজস্থলী উপজেলার সাথে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে কাপ্তাই, রাইখালী ও লিচু বাগান সড়ক সংযোগ দিতে কর্ণফুলি নদীর ওপর একটি সেতু প্রয়োজন।

কিন্তু সেতু নির্মাণে বিভিন্ন সরকারের প্রতিশ্র“তি থাকলেও তা করা হয়নি। রাইখালী লিচু বাগান ফেরি ঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ক্ষমতাশীল সরকারের প্রতিশ্র“তি মিলছে। কিন্তু কোনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।

রাইখালী লিচু বাগান ফেরিঘাটে সেতু না থাকায় রাজস্থলীর কাপ্তাই, রাঙামাটি যাতায়াতকারী অসংখ্য যাত্রিবাহী বাস, ট্রাক,জীপ ও টেক্সির হাজার হাজার আরোহীকে চলাচল করতে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রাইখালী চন্দ্রঘোনা, লিচুবাগান ফেরিঘাটে ফেরি রয়েছে তিনটি। কিন্তু ফেরি চলাচল করে একটি মাত্র। যা যানবাহন চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

দুই পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন আটকে থাকে। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে মৌসুমী ফল ও তরিতরকারীসহ বিভিন্ন মালামাল এ পথ দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে।

বৃহত্তর পার্বত্য জেলার খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের সাথে যোগাযোগের জন্য এই সড়কটি বর্তমানে অন্যতম। বিভিন্ন সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিদেশী পর্যটকরা ভ্রমনে আসলে এই ফেরিঘাটটি একমাত্র সময়ের বাধা। তাছাড়া ফেরি চলাচলের নির্ধারিত সময়ে পর জরুরি রোগী এবং ব্যবসায়িক কাজে ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি ভোগান্তি হয়ে আছে।

বান্দরবান জেলার ও রাজস্থলী উপজেলাবাসী জনগণের দাবির বিষয়ে অনুধাবন করে ১৯৯১ইং সনে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী কর্ণেল অলি আহম্মদ এই সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সরকার আমলে অনেক মন্ত্রী, এমপির নিকট থেকে এই ব্যাপারে আশ্বাস পাওয়া গেছে। কিন্তু এখনো কোন সুফল মেলেনি।

কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান, বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের এক মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর চলাচলের একমাত্র রাস্তা এই চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাটে মন্ত্রীরা যখন রাজস্থলী ও বান্দরবানে সফরে যান তখন ফেরিটি প্রস্তুত থাকে।

কিন্তু মন্ত্রী চলে গেলে বাস্তবটা পুরো উল্টো যেমন বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর বাড়ি রাজারহাট এলাকায় তিনি প্রায়ই সময় বাড়িতে আসলে উক্ত সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন।

এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বীর বাহাদুর এমপি বান্দরবান হয়ে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি সফরে গেলে একই পথে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বান্দরবান জেলা ও রাজস্থলী উপজেলা সফরে আসলে উক্ত ফেরী দিয়ে পারাপার করতে হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লংগদুতে ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার  রাঙামাটির লংগদু …

Leave a Reply