নীড় পাতা » ব্রেকিং » কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিবের অনুপস্থিতে ক্ষেপেছেন ডিসি !

কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিবের অনুপস্থিতে ক্ষেপেছেন ডিসি !

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক ও কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব এটিএম আব্দুজ্জাহের হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির গুরুত্বপূূর্ণ সভায় উপস্থিন না থাকায় ক্ষেপেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সারা জীবন দেখে আসলাম যে কোন কমিটির সদস্য সচিব সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভা আহ্বান করেন। কিন্তু কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে দেখছি উল্টো নিয়ম। হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আমি আর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক হলেন সদস্য সচিব। বিধি মোতাবেক সভা আহ্বান করার কথা তাঁর, কিন্তু তিনি তা করেননি! বরং আমিই তার সাথে কথা বলে সভার তারিখ নির্ধারণ করলাম। অথচ তিনি সভায় না এসে প্রতিনিধি পাঠালেন।’

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা নদী রক্ষা ও কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রতিনিধি জানান, ঢাকায় জরুরি সভা থাকায় তিনি (কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক) ঢাকা গিয়েছেন।

আরও পড়ুন : কাপ্তাই হ্রদে দখল ও দূষণ রোধে ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারিশ

প্রতি উত্তরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সভার বিষয়ে যখন তাকে অবহিত করা হয়েছিলাম তখন কেন বলেননি ঢাকায় সভা আছে, তাহলে এই সভাটি আগে বা পরে কারা যেত। এমনিতেই করোনার কারণে ফেব্রুয়ারির পর আর সভা করা সম্ভব হয়নি। আর এমন একটা জরুরি সভায় সদস্য সচিবের উপস্থিত না থাকাটা দুঃখজনক।’

পরে কাপ্তাই হ্রদে পানি কম থাকায় কিভাবে বিদ্যুৎ সচল রাখা ও নৌ-যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখা যায় জানতে চাওয়া হলে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রকল্পের একটি মেশিন সংস্কারের জন্য বন্ধ রয়েছে, ৪৩ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ইউনিট সচল আছে এবং পানি কম থাকার কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে ৩, ৪ এবং ৫ নাম্বার ইউনিট। এভাবে চলতে থাকলে হ্রদে যে পানি আছে তা দিয়ে ৩৮০ দিন চলবে। এতে হ্রদে যান চলাচলের কোন সমস্যা হবে না। অর্থাৎ হ্রদে ৭৬ ফুট পানি থাকবে। তিনি বলেন, একটি ইউনিট চালু থাকলে প্রতিদিন সাত হাজার কিউসেক পনি হ্রদে থেকে বের হয়ে যায়।
তবে প্রতিনিধির এই বক্তব্যের সাথে অনেকেই দ্বিমত প্রকাশ করে বলেছেন, খাতাকলমের হিসাব নিয়ে বসে থাকলে হবে না। হ্রদের তলদেশে কি পরিমান পলি সঞ্চিত হয়েছে তার নিশ্চয়ই সঠিক কোন হিসাব আপনাদের নাই তাই এমন কথা বলছেন। খাতা কলমের হিসাব কষে মাননিক বিপর্যয় ডেকে না এনে বাস্তবতা মাথায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply