নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » কথায় ২০০, হাঁচিতে ৩৫০০ আর কাঁশিতে লক্ষাধিক জীবাণু

কথায় ২০০, হাঁচিতে ৩৫০০ আর কাঁশিতে লক্ষাধিক জীবাণু

Advocay-Meetingমানুষ কথা বললে প্রায় দুইশত, হাঁচিতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার আর কাঁশি দিলে সাড়ে চার হাজার থেকে প্রায় লক্ষাধিক জীবনু ছড়িয়ে পড়ে।

“আসুন যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়ি” এ শ্লোগানে জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) আয়োজিত জেলা এডভোকেসি সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, রাঙামাটিতে এক বছরে যক্ষ্মা রোগের পজেটিভ জীবানু সনাক্ত হয়েছে ৪২৭ জন রোগির শরীরে আর নেগেটিভ ছিল ১৪২জন এবং ফুসফুস বর্হিভুত রোগির সংখ্যা ছিল ৭০জন। এর মধ্যে রাঙামাটিতে একবছরে ১৬ জন যক্ষ্মা রোগে মারা গেছেন।

মঙ্গলবার রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিসে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. অনুপ দেওয়ান। নাটাবের রাঙামাটি জেলা সহ-সভাপতি এ কে এম মকছুদ আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ রোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন ডা. সুশোভন দেওয়ান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নাটাব সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মজুমদার।
এসময় আরো জানানো হয়, প্রতি এক লাখের মধ্যে একশত জন যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়। প্রতি দুই মিনিটে একজন যক্ষ্মা রোগি সনাক্ত হচ্ছে এবং প্রতি দশ মিনিটে একজন রোগি মারা যাচ্ছে। মানুষের চুল ও নখ ব্যতিত সর্বাঙ্গে এ রোগের জীবানু ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেও জানানো হয়। সভায় এ রোগের চিকিৎসা সেবা সম্পর্কেও বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
এসময় রাঙামাটিতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply