নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » এগিয়ে খাগড়াছড়ি, পিছিয়ে রাঙামাটি

পাহাড়ে জেএসসির ফলাফলে

এগিয়ে খাগড়াছড়ি, পিছিয়ে রাঙামাটি

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক পাস, জিপিএ-৫ সহ প্রায় সব সূচকে ভালো ফল এলেও শতকরা হিসেবে গড় পাসের হারে পিছিয়ে আছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। দেশের ৯টি শিক্ষাবোর্ডের মধ্যে ৭টিই চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলেছে। শুধুমাত্র ঢাকা শিক্ষাবোর্ডকে টপকাতে পেরেছে চট্টগ্রাম। তবে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার পরীক্ষার্থীরা আশানুরূপ ভালো ফল না করায় পিছিয়ে গেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর মধ্যে খাগড়াছড়িতে ৮০ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৭৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ ও রাঙামাটিতে ৭৯ দশমিক ৫০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। তবে ২০১৮ সালে রাঙামাটিতে ৭৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৮০ দশমিক ০৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। ২০১৮ সালের তুলনায় রাঙামাটি ও বান্দরবানে পাসের হার কমেছে। রাঙামাটি ও বান্দরবান ছাড়া বাকি সব জেলায় পাসের হার গত বছরের চেয়ে বেড়েছে। তবে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে এমন তিনটি স্কুল আছে রাঙামাটিতে। গণিতে ৫০ শতাংশ পরীক্ষার্থী ফেল করেছে এমন ৮টি স্কুল আছে তিন পার্বত্য জেলায়। এদিকে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রথম হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ। সার্বিক ফলাফলের মধ্যে পাসের হার সন্তোষজনক নয় উল্লেখ করে নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘এই ফলাফলে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয়। পুরোপুরি অসন্তুষ্টও নয়। আমাদের আরও ভালো করতে হবে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল আছে। এর মধ্যে পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি জেলার মধ্যে রাঙামাটি ও বান্দরবান থেকে সন্তোষজনক ফল আসেনি। এজন্য গড় পাসের হারে চট্টগ্রাম কিছুটা পিছিয়ে গেছে। পাহাড়ে নানা সীমাবদ্ধতা আছে। অনুন্নত, পর্যাপ্ত সুবিধাবঞ্চিত এলাকা। ভালো মানের শিক্ষকেরও অভাব আছে। এখন আমাদের পাহাড়ের দিকে নজর আরও বেশি দিতে হবে।’

বিষয়ভিত্তিক ভালো ফলের পরও গড় পাসের হার তেমন না বাড়ার বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘অনেকে গণিতে পাস করেছে, কিন্তু ইংরেজিতে গিয়ে ফেল করেছে। কেউ কেউ ইংরেজিতে পাস করলেও গণিতে ফেল করেছে কিংবা ইংরেজি-গণিতে পাস করলেও অন্য বিষয়ে ফেল করেছে। এর প্রভাবও পড়েছে গড় পাসের হারে।’

শিক্ষাবোর্ড সূত্রে আরও জানা গেছে, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গত দুই বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কিছুটা বেড়েছে। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল যথাক্রমে ৮১ দশমিক ১৭ ও ৮১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর আগের দুই বছরে পাসের হার অবশ্য এর চেয়েও ভালো ছিল। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল যথাক্রমে ৮৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ ও ৯০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

২ ভাইকে ‘পিটিয়ে হত্যা’র ঘটনায় গ্রেফতার ১৪

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় গণপিটুনিতে দুই ভাইকে হত্যা মামলার ১৪ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে …

Leave a Reply