নীড় পাতা » ব্রেকিং » একটি সিঁড়ির জন্য প্রতীক্ষা

একটি সিঁড়ির জন্য প্রতীক্ষা

রাঙামাটি জেলা শহরের গর্জনতলী এলাকায় একটি সিঁড়ির জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষায় আছে এলাকাবাসী। রাঙামাটির গর্জনতলী এলাকাটি জনবহুল এলাকা হিসেবে বেশ পরিচিত। এলাকাটির মাঝিঘাটে একটি সিঁড়ি দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর। অনেক দেন-দরবাার করেও কোন সফলতা মেলেনি। সিঁড়িটি স্থানীয়দের জন্য খুবই জরুরি নতুন করে সিঁড়ি সংস্কার ও প্রশস্ত না করায় বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সিঁড়িটি দিয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যাতায়াত করে থাকে। তাদের সবচেয়ে বড় সমস্য হচ্ছে এ সিঁড়িটি দিয়ে কোন মৃত ব্যক্তির মরদেহ দাহ করার জন্য শ্মশানে নিয়ে যায়। সিঁড়িটি ছোট হওয়ায় মরদেহ নিয়ে যেতে খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। এলাকাটির অনেকে গোসল ও পরিবারের বিভিন্ন জিনিস পরিষ্কার করার জন্য এ সিঁড়িটি ব্যবহার করে থাকে।

মাঝিঘাটের আশেপাশে কোন ধরনের ডাস্টবিন না থাকায় সবাই ময়লা আবর্জনা ফেলে পুরানো সিঁড়িটির মধ্যেই যার ফলে সিঁড়িটির অস্তিত্বত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন। পৌরসভাকে সিঁড়িটি নতুন করে সংস্কার ও প্রশস্ত করে মেরামত করে দেয়ার অনুরোধ করা হলেও দীর্ঘদিনেও সেটি মেরামত করা হয়নি। কবে এই সিঁড়িটি সংস্কার ও প্রশস্ত হবে সে প্রতীক্ষায় দিন গুনছে এলাকাবাসী।

নৃত্য শিল্পী শুক্লা ত্রিপুরা বলেন, সিঁড়িটির জন্য এলাবাসির অনেক অসুবিধা হয়। আমাদেরকে পৌরসভা কথা দিয়েছিল সিঁড়িটি করে দিবে কিন্তু এখনো করে দেয় নাই। আমরা দাবি করছি যাতে দ্রুততম সময়ে সিঁড়িটি নতুন ও বড় করে নির্মাণ করে দেয়।

অর্নব ত্রিপুরা বলেন, গর্জনতলী এলাকার জন্য সিঁড়িটি খুবই গুরত্বপূর্ণ। এটি অতি দ্রুত সংস্কার করা হোক যার মধ্য দিয়ে এলাকাবাসি সুফল পাবে।

রাঙামাটি পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মো: জামাল উদ্দিন বলেন, পৌরসভার মেয়র মহোদয় কথা দিয়েছিল সেখানকার সব সিঁড়ি ও একটি টয়লেট তৈরি করে দিবে। করোনার কারণে সব এলোমেলো হয়ে গেছে দেখা যাক সামনে আমরা সিঁড়িটি করে দিব। এখনতো পানি বেড়ে গেছে তাই সিঁড়ি বোধ হয় এখন করা যাবে না।

রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, সিঁড়িটি প্রশস্ত ও সংস্কারের করার সব কিছুই চুড়ান্ত করা আছে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সিঁড়িটির কাজ করে ফেলব।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্য বিভাগকে সুরক্ষা সামগ্রী দিলো রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্ট

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটির ১২টি সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহে স্বাস্থ্য …

Leave a Reply