নীড় পাতা » বান্দরবান » একটি পণ্যের উপর ৩ দফায় চাদা আদায় করা হচ্ছে বান্দরবানে

একটি পণ্যের উপর ৩ দফায় চাদা আদায় করা হচ্ছে বান্দরবানে

Bandarban-UNDP-PICবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা বলেছেন, চাঁদাবাজির কারণে কৃষকেরা নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাহাড়ে চাঁদাবাজদের দৌরাত্র মাত্রাতিরক্ত বেড়েছে। উৎপাদিত ফসল, পরিবহন এবং ব্যবসায়ী সকলের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। উৎপাদিত একটি পণ্যের উপর ৩ দফায় চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এতদিন নিরবে চাঁদাবাজি করা হলেও বর্তমানে প্রকাশ্যে চাঁদা নেয়া হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম কারা নিয়ন্ত্রন করছে সরকার, নাকি চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারা, চাঁদার টাকা কোথায় যাচ্ছে এবং চাঁদাবাজদের কারা নিয়ন্ত্রন করছে এখন সময় হয়েছে বিষয়টি ভেবে দেখার। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের সতর্কতার সহিত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সময় হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে বান্দরবানে চাষাবাদ কমে গেছে। ফলমূল, সবজি এবং মসলা চাষে অনিহা দেখাচ্ছে স্থানীয় চাষীরা। চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পাহাড়ের সাধারণ মানুষ। ভয়ে মুখ খুলে বলতে পারছেনা। চাঁদাবাজদের কারণে আমি নিজেও গ্রামের বাড়িতে চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছি। গত দুবছর ধরে আমার বাগানে সবধরণের চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। আমার মত পাহাড়ের অসংখ্য মানুষ চাঁদা দেয়ার যন্ত্রণায় বাগান করছেনা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বান্দরবান জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কৃষকদের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। এছাড়াও জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান’সহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply