নীড় পাতা » ব্রেকিং » ইউপিডিএফের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

ইউপিডিএফের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা। তিনি এ ঘটনায় হামলাকারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে সচল চাকমা অভিযোগ করেন, বুধবার সকাল ৮ টার দিকে জানং চাকমা, খোকন চাকমা ও লিটন চাকমাসহ ১১ জনের একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল উপজেলার বঙ্গলতলি ইউনিয়নের করেঙাতলি বাজার থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার উত্তরে জারুলছড়ি গ্রামে গিয়ে ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর অতর্কিত মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করতে থাকে। তবে এতে ইউপিডিএফ সদস্যরা দৌঁড়ে অক্ষত অবস্থায় নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনার পর সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র অবস্থায় বাঘাইহাট-করেঙাতলি সড়কে বঙ্গলতলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দোকানে চা’ও পান করে। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বঙ্গলতলি বনবিহারের পাশে অন্য একটি সশস্ত্র গ্রুপ দ্বারা তারা অ্যাম্বুশের শিকার হয়।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা বাঘাইছড়ি সদরে অবস্থান করে অবাধে খুন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিবৃতিতে সচল চাকমা অবিলম্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মদদদান বন্ধ ও গ্রেফতার এবং জুম্ম দিয়ে জুম্ম ধ্বংসের ষড়যন্ত্র পরিহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঘাইছড়ির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল মনজুর বলেন, সকাল আটটা থেকে নয়টার মধ্যেকার সময়ে বঙ্গলতলি ইউনিয়নের জারুলছড়ি গ্রামে দুইটি সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, ইউপিডিএফ (প্রসিত খীসা) ও জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) দলের লোকেরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আমরা এ ঘটনার পর জারুলছড়ি এলাকায় গিয়েছে। ঘটনাস্থলে কোনো লাশ কিংবা কেউ আহতের খবর পাইনি।

ওসি বলেন, প্রায়শই আঞ্চলিকদলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নিজেদের মধ্যে শক্তি প্রদর্শন করার জন্যই এসব ঘটনা ঘটান। তবে এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বাদশার ঠাঁই হলো বৃদ্ধাশ্রমে

যাযাবর জীবন; মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও মানুষের ভাষা বোঝে। সব সময় চুপচাপ থাকা পঞ্চাশোর্ধ মানুষটি অনেকের …

Leave a Reply