নীড় পাতা » ফিচার » অরণ্যসুন্দরী » আলুটিলায় বৃষ্টির দিনে…

আলুটিলায় বৃষ্টির দিনে…

alutila

যেন পাহাড়ের গায়ে মেঘ ভেসে বেড়ায়। গায়ে ছুয়ে যায় মেঘের আভা। আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। বেড়ানোর মজাই আলাদা। পাহাড় চূরায় বৃষ্টির পানিতে ভেজার অনূভুতি প্রকাশ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। খাগড়াছড়ি শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের আলুটিলায় বৃষ্টির দিনে বেড়ানোর গল্পটা এরচেয়েও আনন্দঘন উৎসব মূখর হতে পারে যে কোন পর্যটকের কাছে। এমন বৃষ্টির দিনে অনেকেই ছুটে যান সেখানে। এবারের বৃষ্টিতেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে পর্যটকরা গিয়েছিলেন আলুটিলা আর রিছাংঝর্না এলাকায়।
বান্দরবান থেকে খাগড়াছড়িতে আত্বীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে এসেছিলেন নিউম্রা মারর্মা। একা নয়; বান্ধবী উক্রাচিং মারমা ছিলেন সাথে। পরিচয় সূত্রে তাদের সাথে আলুটিলায় যাওয়ার সুযোগটা আমারও হয়েছিলো। তখনও আকাশে মেঘের ঘনঘটা। ছিলো বৃষ্টির হবার সম্ভাবনাও। তবু বাসে চড়ে যাত্রা করেছিলাম। আলুটিলায় পৌঁছাতেই কেমন যেন কুয়াশায় ভিজে যাচ্ছিলেন পর্যটক হয়ে আসা দু‘বান্ধবী। আর অভিজ্ঞতা ছিলো বলে কুয়াশাকে মেঘই ভেবেছিলাম আমরা।
আলুটিলার চুড়ায় যেতে যেতে মনে হয়েছে যেন মেঘের ভেলায় ভাসছি সবাই। হটাৎ-ই নেমে আসে বৃষ্টি। এক পসলা দু পসলা হতে হতে, ভারি বৃষ্টি নামলো। আমরা তখনো সেখানকার রেষ্ট হাউজটিতে যাইনি। চারিদিকে চোখ ফিরিয়ে তাকাতেই মনের জানালায় উঁকি দেয় স্বপ্নিল সব ভাবনা। এতো আনন্দ এতো সুখের অনুভ’তি যেন জীবনে এই প্রথম। রেষ্ট হাউজের উপরে উঠার অনুমতি পেতেই ভেজা শরীরে অন্যরকম উল্লাসের পরশ লাগে। কিছুটা বিশ্রামের ফাঁকে সেখান হতে খাগড়াছড়িকে দেখতে মনে হয়েছে স্বপ্নের মত। এতো মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট! পর্যটকরা জানালেন এমন অনুভুতির কথা। কেবল বৃষ্টিই নয়; তারা জানান, ‘এতো মজার জায়গা আর দেখেননি। বান্দরবানের বহু পর্যটন স্পট ঘুরেছি, গিয়েছি কক্সবাজার, রাঙ্গামাটিও। আলুটিলার চুড়ায় বৃষ্টিতে বেড়ানো উপভোগ করেছি অন্যভাবে।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

উদ্ভিন্ন ঝর্ণা ডাকছে ভ্রমণপ্রেমীদের

বছর ঘুরিয়ে আবারও উদ্ভিন্ন হয়ে উঠেছে রাঙামাটির সুবলংয়ে অবস্থিত দুইটি ঝর্ণাই। ঝর্ণার পানি প্রবাহে শরীর …

Leave a Reply