নীড় পাতা » ব্রেকিং » আবারও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য হলেন দীপংকর

আবারও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য হলেন দীপংকর

দীপংকর তালুকদার

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী পরিষদের নতুন কমিটিতে ফের ঠাঁই মিলেছে পাহাড়ে আওয়ামী রাজনীতির প্রাণপুরুষ ও রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এমপি’র।

বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষিত আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শেখ হাসিনার স্নেহভাজন ও বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে সংগঠিত কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্য দীপংকর তালুকদারের পুনর্বার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছাসে ফেটে পড়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর জানিয়েছেন, দাদার প্রতি নেত্রীর যে আস্থা ও বিশ্বাস,তারই প্রমাণ মিলেছে পুনরায় তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই দেয়ায়। আমরা পাহাড়ের আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগি সংগঠনের পক্ষ থেকে নেত্রীর প্রতি জানাচ্ছি গভীর কৃতজ্ঞতা। এর মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির রাজনীতি পাহাড়ে আরো বিকশিত হবে।’

রাঙামাটি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন মনসুর আলী বলেছেন, ‘পার্বত্যবাসির প্রিয় নেতা দীপংকর তালুকদারকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী পরিষদে পূনরায় সদস্য করার মধ্য দিয়ে তার প্রতি গভীর আস্থার প্রমাণ দিয়েছেন নেত্রী। আমরা নেত্রীর এই আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব।’

লংগদু উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বাবুল দাশ বাবু উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেছেন, দাদা আমাদের সবাই প্রিয় অভিভাবক এবং বটবৃক্ষ। তাকে নেত্রী মূল্যায়ন করা মানেই আমাদের সবাইকে মূল্যায়ন করা। আমরা নেত্রীর প্রতি পার্বত্যবাসির পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

প্রসঙ্গ, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক দীপংকর তালুকদার ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর প্রতিবাদে কাদের সিদ্দিকীর সাথে প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলেন এবং ভারতে অবস্থান কাদের সিদ্দিকীর প্রতিরোধ বাহিনী সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন । দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে আশির দশকে শেষ দিকে দেশে ফিরে নিজ জেলা রাঙামাটিতে আসেন এবং ১৯৯১ সালের দেশে গনতন্ত্র যুগ শুরুর প্রথম নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। এরপর ১৯৯৬ সালে,২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। মাঝে ২০০১ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০০৬ সালের বাতিল হয়ে যাওয়া নির্বাচন বাদে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই তিনিই নৌকা মাঝি হিসেবে হাল ধরে আছেন পার্বত্য এই জেলায়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

‘ডিজিটাল যুগে তরুণরা ফেসবুক নিয়েই ব্যস্ত’

‘চলো গ্রন্থাগারে চলো-দেখি সম্ভাবনার আলো’ এ শ্লোগান নিয়ে রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দুই দিনব্যাপী পাবলিক …

Leave a Reply