নীড় পাতা » ব্রেকিং » আটক আসবাবপত্র নিয়ে ব্যবসায়িদের অভিযোগ

আটক আসবাবপত্র নিয়ে ব্যবসায়িদের অভিযোগ

বিজিবির বিরুদ্ধে আসবাবপত্র আটকের পর সঠিকভাবে বুঝিয়ে না দিয়ে তা লুটের অভিযোগ করেছে রাঙামাটির আসবাবপত্র ব্যবসায়িদের সংগঠন রাঙামাটি আসবাবপত্র ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড। তবে বিজিবি বলছে অবৈধ মালামাল আটক করা হয়েছে বন বিভাগের সাথে যৌথ অভিযানে।

শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করে সংগঠনটির নেতারা বলেন, রাঙামাটি থেকে আসবারপত্র চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলায় নিতে গেলে মোট সাতটি চেক পোস্টে চেক করার পরে চট্টগ্রামের মূল শহরে প্রবেশ করে থাকে মালামাল বহনকৃত পরিবহনগুলো। গত ১ জানুয়ারী আমাদের মালবাহি গাড়ি বরিশাল-ট-১১০১৩৯ চট্টগ্রাম পাহাড়তলি চক্ষু হাসপাতাল এর সামনে বিজিবি আটক করে। পরে তারা ট্রাকে থাকা ২৪ আইটেম মাল এর থেকে ৯ আইটেম মাল বুঝিয়ে দেয় এবং অন্য সব মাল কোথায় জানতে চাইলে সমিতির প্রতিনিধিকে মাদক মামলায় জেল হাজতের ভয় প্রদান করে বিজিবি। পরিবহনটিতে ৬-৭ লক্ষ টাকার মাল ছিলো, যে মাল তারা রেখে দিয়েছে সে মালের পরিমাণ ৪-৫ লক্ষ টাকা।

রাঙামাটি কাঠ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির হল রুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন তারা। এসময় আরো উপস্তিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল উদ্দীন, রাঙামাটি আসবাবপত্র ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি হাজী মোঃ কামাল উদ্দীন, সহ সভাপতি আবদুল করিম বালি, সাংগঠনিক সম্পাদক এম হিরু তালুকদার সহ সমিতির নেতৃবৃন্দ।

তারা আরো বলেন, ১ তারিখের পরে ৮ তারিখে আবারো তারা আসবারপত্র জব্দ করে। পরিবহনটি হচ্ছে রেনবো চট্টমেট্র-ট- ১১৩৩৭২। এই গাড়িতে প্রায় ৭-৮ লক্ষ টাকার মালামাল ছিলো যা এখনো পর্যন্ত তারা কি করেছে আমাদেরকে জানায়নি। দু‘দফায় তারা প্রায় ১২ লক্ষ টাকার মাল আমাদের কাছ থেকে জব্দ করার নামে লুট করে নিয়েছে।

চালক সহ তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, এমন দাবি করে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, তারা গাড়ীর চালককে মারধর করা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে। সমিতির নেতারা উর্ধতন বিজিবির কর্মকর্তার সাথে দেখা করতে চাইলে তারা তাদেরকে দেখা করতে দেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।
যদি এই সমস্যার কোন প্রকার সুরহা না হয় তবে মানববন্ধন,স্মারকলিপি প্রদান সহ আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা ।

এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিজিবির কর্মকর্তা ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এই সব মালামাল অবৈধ,এই অভিযান বন বিভাগ ও বিজিবি যৌথ ভাবে পরিচালনা করেছে। ১ জানুয়ারীর এই মালামাল বন বিভাগকে বুঝিয়ে দিয়েছেন বলেও জানান তিনি । এছাড়া গত ৮ জানুয়ারীর আটককৃত মালামাল শুক্রবার বন্ধের জন্য বুঝিয়ে দিতে পারেননি এবং এগুলো রবিবার বুঝিয়ে দেয়া হবে এবং এই বিষয়ে বন বিভাগ মামলা সহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply