নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » আজ মধ্যরাতেই কাপ্তাই হ্রদে মৎস আহরণ শুরু

আজ মধ্যরাতেই কাপ্তাই হ্রদে মৎস আহরণ শুরু

Rangamati-Pic-(1)দীর্ঘ সাড়ে তিনমাস বন্ধ থাকার পর এশিয়ার বৃহত্তর কৃত্রিম হ্রদ ‘কাপ্তাই হ্রদে’ বুধবার মধ্যরাত থেকে মৎস আহরণ শুরু হয়েছে।
মাছের সুষ্ঠু প্রজনন,বেড় উঠা এবং ব্যবস্থাপনার স্বার্থে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ৭ মে থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ ছিলো,কিন্তু এবছর হ্রদে পানি কম থাকায় এ সময়সীমা আরো ১৫ দিন বৃদ্ধি করে ২০ আগষ্ট করা হয়। ফলে বুধবার মধ্যরাতের পর থেকেই হ্রদে শুরু হয় মাছ আহরন।

প্রায় ৭৫৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই হ্রদে প্রায় ত্রিশ হাজার জেলে বছরের ৯ মাস মাছ আহরণ করে থাকে।
দেশের মিঠাপানির মাছের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত এই হ্রদ কার্পজাতীয় মাছের জন্য বিখ্যাত। এখানে এই বছরও বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রায় ২২ মেট্টিক টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা ছেড়েছে।
এইবছর মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে ১৮ হাজার ৯৬০ জন জেলেকে প্রতিমাসে ২০ কেজি করে ভিজিএফ সহায়তা এবং মাছ ধরা নিয়ন্ত্রনে হ্রদে কোস্টকার্ড নিয়োগ করা হয়। একই সাথে হ্রদে প্রথমবারের মতো সবচে বেশি কড়াকড়ি ছিলো। গত তিনমাসে বিএফডিসি জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচলনা করেছে। কাপ্তাই হ্রদ হতে অবৈধভাবে মা ও পোনা মাছ আহরণ ও পাচার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক ১ জনকে ২ দিন, ১ জনকে ৩ দিন, ১ জনকে ৭ দিন, ১ জনকে ১০ দিন এবং ১ জনকে ২০ দিন জেল দেয়া হয়েছে। ১৩ জন লোকের নিকট থেকে সর্বমোট ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও কাঁচা মাছ ১৪৭০ কেজি, শুকনা মাছ : ১৭৩৬ কেজি, কেচকি জাল ৩০ টি, কারেন্ট জাল ২৫০ কেজি, সুতার জাল প্রায় ৩০০ কেজি, ঠেলাজাল ১৪ টি, ইঞ্জিনচালিত নৌকা ৫ টি এবং ইঞ্জিনবিহীন নৌকা ১১১ টি আটক করা হয়।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক আদেশে আজ মধ্যরাতের পর থেকে হ্রদে মাছ ধরা উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে হ্রদে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি অভয়াশ্রমে এই সময়ে মাছ ধরা বরাবরের মতোই নিষিদ্ধ থাকবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমণ কমছে

প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং থানা পুলিশের তৎপরতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমন হার কমছে। কাপ্তাই উপজেলা …

Leave a Reply