নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » আকাশে ইউইপিডিএফ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বেলুন

আকাশে ইউইপিডিএফ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বেলুন

5পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)-এর ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শনিবার খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- দলীয় কার্যালয়সমূহে বিপ্লবী সংগীত বাজানো, দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, অস্থায়ী শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, বিভিন্ন দৃষ্টিগ্রাহ্য স্থানে ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টার টাঙানো, দেয়াল লিখন ইত্যাদি। দেশবাসীকে সংগ্রামী অভিবাদন জানিয়ে উড়ানো হয়েছে বৃহৎ বেলুন। তবে প্রশাসনের বাধার কারণে খাগড়াছড়িতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।
ব্যানার-ফেস্টুনে “অবিস্মরণীয় ২৬ ডিসেম্বর অমর হোক! জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার্থে ইউপিডিএফ’র পতাকাতলে সমবেত হোন; আমাদের উচ্ছেদ ও পরিবেশ ধ্বংস করে মুনাফা লুটতে দেবন না; সাজেক-নীলগিরি-বগালেক-চিম্বুক থেকে সেনা চৌকি সরিয়ে নাও…” ইত্যাদি শ্লোগান লেখা ছিল।

খাগড়াছড়ি জেলা সদরে আসন্ন পৌর নির্বাচনের কারণে প্রশাসন প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর অনুষ্ঠান পালনে অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ করে ইউপিডিএফ জানিয়েছে,ফলে ছোট পরিসরে কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল ১০টায় স্বনির্ভরস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। এতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ইউপিডিএফ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবাবর্গ ও পার্টির কর্মী পরিবারবর্গ।
সমাগত প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান শেষে ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লাল রঙের একটি বড় বেলুন আকাশে উড়ানো হয়। এটি ছিল ইউপিডিএফ-এর পতাকার প্রতীক। বেলুনের সাথে জুড়ে দেওয়া ফেস্টুনের ক্যাপশন ছিল- “প্রতিষ্ঠার ১৭তম বার্ষিকীতে দেশবাসীকে সংগ্রামী অভিবাদন”। পতাকার প্রতিচ্ছবি হিসেবে বেলুনের গায়ে নীল জমিনের ওপর সাদা তারকা স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও তাড়াহুড়োর কারণে তা করা যায় নি। উল্লেখ করা যেতে পারে, এ ধরনের বড় সাইজের বেলুন পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রথম বারের মত উড়ানো হয়েছে।
জেলা সদর ছাড়াও খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি, দীঘিনালা, মহালছড়ি, মাটিরাংগা, মানিকছড়ি, রামগড়, মানিকছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায়ও ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টার টাঙানোসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি, সাজেক, কুদুকছড়ি, নান্যাচর ও কাউখালীতেও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর রাতে রাঙামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি, সাপছড়িসহ কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ,খামার পাড়া, আবাসিক, ধর্মঘর, হুদুকছড়ি এবং নান্যাচর উপজেলার ঘিলাছড়ি, সরিদাশ পাড়া, বেতছড়ি ১৮ মাইলে পোস্টারিং এবং ফেস্টুন টাঙানো হয়। দেয়াল লিখন করা হয় মানেকছড়ি গোল চত্বর, সাপছড়ি, কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এলাকায়। নান্যাচর উপজেলা সদরের ডাক বাংলা, বাজার, উপজেলা, টিএন্ডটি, বড়পুল পাড়াতে পোস্টারিং ও ফেস্টুন টাঙানো হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইউপিডিএফ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হলেন দীপংকর তালুকদার

বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী …

Leave a Reply