নীড় পাতা » ব্রেকিং » আইন ও সংবিধান মেনে চললে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব: বৃষ কেতু

রাঙামাটিতে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের কর্মশালা

আইন ও সংবিধান মেনে চললে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব: বৃষ কেতু

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যন জনাব বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের মানুষ কাঙিক্ষত সেবা পেয়ে থাকে। দেশের আইন ও সংবিধান মেনে চললে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আইনের পরিপন্থী কাজ করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। দেশে আইনের শাসন বা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতি কমে গেলে উন্নয়ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। বর্তমানে সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ ও জনগণের উন্নতি ও সমৃদ্ধির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।

ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির জনকের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনমানুষের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কারণেই আমরা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারছি। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ জেলাবাসীর উন্নয়নে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

রবিবার সকালে পরিষদের সভাকক্ষে (এনেক্স ভবন) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত অংশীজনের অংশগ্রহণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ সংক্রান্ত উদ্বুদ্ধকরণ, অভিযোগ প্রতিকার বিষয়ে সেবা গ্রহীতাদের অংশগ্রহণ ও সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি বিষয়ে সেবা গ্রহীতাদের অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রমা রাণী রায়।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রমা রাণী রায় বলেন- স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনগণের দোর গোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের কাজ করে যেতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সেবা গ্রহীতাদের অবহিতকরণ ও সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি বিষয়ে প্রয়োজনীয় ধারণা দিতে এ কর্মশালার আয়োজন করেছে। তিনি বলেন- জেলা পরিষদ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। জনগণের উপকার করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। তবে এ কাজটা অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে করে যাচ্ছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও কর্মকর্তারা। পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় শুধু পার্বত্য এলাকায় কাজ করার জন্য গঠন করা হয়েছে। তাই এটি এ অঞ্চলের মানুষেরই প্রতিষ্ঠান। তবে এ মন্ত্রণালয়কে অন্য আরো অনেক মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করতে হয়। জেলা পরিষদের জনবল বাড়ানোর জন্যও মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। তিনি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনে সহায়তার জন্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য, হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা এবং পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের উপকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বান্দরবানে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

বান্দরবানের লামা উপজেলার রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাচিং প্রু মারমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা …

Leave a Reply