নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় পাহাড়ের প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে

আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় পাহাড়ের প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে

বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকা, স্থানীয় বাসিন্দাদের লোকায়ত জ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রতি অশ্রদ্ধা এবং পরিবেশ বিধ্বংসী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহনের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ-প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনিক শৈথিল্য ও অসৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জেলার হাজার হাজার একর পাহাড় ঢাকা চট্টগ্রামের কর্পোরেট কোম্পানীরা দখল করে নিচ্ছে। ভূমির বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি রাবার ও তামাক চাষের কারণে বায়ু ও জলদূষণ বেড়ে যাওয়ায় পশু-পাখিও বিলুপ্ত হচ্ছে দ্রুত।
বক্তারা এই অবস্থা নিরসনে দেশের পরিবেশবাদী সংগঠন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কার্যকরী দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
বুধবার বিকেলে জেলা শহরের ‘অবসর’ হলে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি’র পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ উর্পযুক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।
খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো: জহুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অতিথি আলোচক ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার কাউন্সিলর মো: শাহ আলম, সিএইচটি ট্রাস্ট বিল্ডার্স এ্যালায়েন্স’র সাধারন সম্পাদক ধীমান খীসা, টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার তৌহিদুল ইসলাম এবং বেলা’র চট্টগ্রামের কর্মকর্তা মো: হাসান।
খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বেলা’র কার্যক্রমকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ইস্যুভিত্তিক দাবী দাওয়া তুলে ধরেন খাগড়াছড়ি ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সাইফুদ্দীন আনসারী মিঠু, সাংবাদিক সৈকত দেওয়ান, দীঘিনালা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক দুলাল হোসেন, উন্নয়ন সংগঠক খগেন ত্রিপুরা, উন্নয়নকর্মী রিপল চাকমা এবং সাংবাদিক অপু দত্ত।
সভায় বেলা’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড়কাটা, বেপরোয়া বালু উত্তোলন, পরিবেশ বিরোধী পর্যটন প্রকল্প গ্রহন এবং বেআইনী বন উজাড় প্রতিরোধে আইনী সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে পরিবারের অসম্মতি, অতপর…

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় মুবিনা আক্তার নয়ন (১৬) নামের এক তরুনী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে …

Leave a Reply