নীড় পাতা » ব্রেকিং » অরক্ষিত স্টেডিয়াম!

অরক্ষিত স্টেডিয়াম!

রাঙামাটি জেলার একমাত্র স্টেডিয়াম যাকে ঘিরেই সকল খেলাধুলার বড় আয়োজন হয়ে থাকে। রাজবাড়ি এলাকায় অবস্থিত জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস ও একই সাথে চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটি সম্প্রসারণের পরও অরক্ষিতই রয়ে গেছে। যেকোন সময় একাধিক পথে গ্যালারিতে প্রবেশ করা যায়। গ্যালারিতে প্রবেশে কাউকে কোন ধরনের বেগ পেতে হয় না। রাজাবাড়ী এলাকার মুল সড়কের পাশ থেকে সোজা নেমে যাওয়া যায় গ্যালারিতে। তাছাড়া গ্যালারি সকল গেইট সব সময় খোলা থাকে। এমনকি কাটা তারের কিছু অংশ এমনভাবে নষ্ট করা যে কেউ চাইলেই মাঠেও ঢুকে যেতে পারবে। মাঠেরও ক্ষতিও করতে পারবে খুব অল্প সময়ে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার যে লোকবল তা দিয়ে শুধু মাত্র অফিস পাহাড়া দেয়া হয়। রাতে মাঠ বা গ্যালারী তদরকির কোনও লোক নাই। গ্যালারির নীচে সকল দোকানের প্লট অর্ধনির্মিত অবস্থায় খালি পড়ে আছে গ্যালারি তৈরির পর থেকে। সেগুলো বরাদ্দও দেয়া হচ্ছে না। নেশাগ্রস্ত এবং অসামাজিক কার্যকলাপ করার জন্য উত্তম জায়গা হিসেবে বখাটেরা বেচে নিচ্ছে স্টেডিয়ামটিকে। গ্যালারির অনেক কক্ষ মাটির সাথে লাগানো তাই সেখানে বসেই নেশাগ্রস্তরা নেশা সেবন করে থাকে। আবার অন্যদিকে আসামাজিক কর্মকান্ড ঘটানো হয় গ্যালারির ফাঁকা রুমগুলো। জেলা ক্রীড়া সংস্থার আপাতত কোন পদক্ষেপও নিতে দেখা যায়নি স্টেডিয়ামটিকে নিরাপদ রাখতে এমনটিই অভিযোগ করছে অনেকে গ্যালারিসহ সবদিকে নেই কোন পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। সন্ধ্যা হলেই নেমে আসে অন্ধকার আর এরই সুযোগ নেয় বখাটে ও নেশাগ্রস্তরা।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার মুল অফিসের সামনে কিছু অংশে সীমানা প্রাচীর থাকলেও নেই কোন গেইট যার ফলে যে কেউ চাইলে সংস্থার অফিসের সামনেই চলে আসতে পারে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার আগ্রহও হচ্ছে শুধুমাত্র অফিসটি নিরাপদ রাখা অন্য দিকে গ্যালারি রক্ষণাবেক্ষণ বা মাঠ নিরাপদ রাখা নিয়ে খুব একটা মাথা ব্যথা নেই তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা রুমেল বলেন, সন্ধ্যা নামলেই স্টেডিয়ামের নিচের অংশ বখাটেদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মাদক থেকে নারী সব ধরনের অসামাজিক কাজই এখানে হয়ে থাকে।

নিলাময় চাকমা বলেন, স্টেডিয়ামের যে কক্ষগুলো তৈরি আছে তা যদি দোকান হিসেবে ভাড়া দেয়া হয় তাহলে সব সময় হয়তো আলো জ্বলবে তখন অপরাধ প্রবণতা অনেক কমে যাবে। গ্যালারির গেইট দিনে খোলা রাখলেও সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ রাখাটাও জরুরি।

এ বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম বলেন, মাঠের বাউন্ডারি না থাকায় নিরাপত্তার সমস্যা আছে আমাদের। এনএসসিকে আমরা প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি, আশা করি দ্রুত সমাধান হবে। স্টেডিয়ামের দোকানগুলো বরাদ্দের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে ওষুধ সম্পর্কে মতবিনিময় সভা

বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি কর্তৃক নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সম্পর্কে জনসচেতনতা ফিরিয়ে আনতে …

Leave a Reply