নীড় পাতা » ব্রেকিং » অবৈধ স্থাপনায় ম্লান হচ্ছে সৌন্দর্য

অবৈধ স্থাপনায় ম্লান হচ্ছে সৌন্দর্য

DDCC-Meeting-Pic-25-02-16-0রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা এ রাঙামাটি শহরে এক শ্রেণির অবৈধ দখলদার অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে সৌন্দর্য বিনষ্ট করছে। সকলে মিলে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, এ জেলায় বসবাসরত সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসের জেলা উন্নয়ন কমিটির সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান একথা বলেন।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: রেজাউল করিম, পুলিশ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চিত্ত রঞ্জন পাল, পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদসহ জেলার বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, কমিটির সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শহরের অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে যে কোনওসময় পুলিশ কন্ট্রোল রুমে অথবা সরাসরি পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করার অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বলেন, অন্যান্য জেলার তুলনায় এ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাঙামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, কলেজের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় একটি গেইট করা হবে। এ বিষয়ে পরিষদের সহযোগিতা চেয়ে একটি পত্র প্রেরণ করা হয়ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উন্নয়নের জন্য নতুন ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে।

মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন এর কর্মকর্তা জানান, কাপ্তাই হ্রদে কচুরিপানা অপসারণের বিষয়ে পরিষদে একটি সভা করা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগকে সাথে নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিটিসিএল এর সহকারী প্রকৌশলী জানান, বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। যে সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান এখনো এ সুবিধা গ্রহণ করেনি তাদের বিটিসিএল কার্যালয়ের মোবাইল ০১৫৫০১৫১৮৫৮ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে এ জেলার প্রত্যেক উপজেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য মজুদ রয়েছে এবং বর্তমানে জেলা খাদ্য গুদামে ৩হাজার ৫শত মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ আছে।

জেলা ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট এর কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ৭৪টি প্রদশর্নী প্লট রয়েছে এবং দুর্গম জুরাছড়ি উপজেলা থেকে বিষমুক্ত আখের গুড় সংগ্রহ করা হয়েছে। আগ্রহীরা ক্রয় করতে চাইলে জেলা ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউটে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply