নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » অপহরণের ৫দিন পরেও খোঁজ মিলেনি টিনটিন ও রিকি’র

অপহরণের ৫দিন পরেও খোঁজ মিলেনি টিনটিন ও রিকি’র

sourov-rickyরাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সীমান্তবর্তী ক্যাংড়াছড়ি এলাকা থেকে গত ১৪ এপ্রিল অপহৃত সৌরভ চাকমা টিনটিন ও নবজিত চাকমা রিকি ’র খোঁজ মেলেনি ৫ দিনেও। এই ঘটনায় পরদিন ১৫ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করেছেন অপহৃত সৌরভ চাকমা টিনটিন এর বড় ভাই সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা। অপহৃত দুই তরুণই সংগীত শিল্পী এবং সৌরভ চাকমার পিতা পিডিবির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত দেওয়ান এবং তার শ্বশুড় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুষার কান্তি চাকমা। তার চাচা জাতিসংঘ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচী-পার্বত্য চট্টগ্রাম এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ চাকমা।

অপহৃতদের পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছেন,পহেলা বৈশাখের দিন বিকেল পাঁচটায় খাগড়াছড়ি থেকে অটোরিক্সাযোগে রাঙামাটি আসার পথে পথিমধ্যে একদল সশস্ত্র পাহাড়ী যুবক তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এবং তাদের দুই বন্ধুকে নামিয়ে নিয়ে যায়।

অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল। তিনি জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ অপহৃতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।Ricky-pic-02

এদিকে অপহৃতদের মুক্তিপণ হিসেবে ২ লক্ষ ডলার মুক্তিপণ চাওয়ার কথা শোনা গেলেও অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই কিংশুক চাকমা এবং নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে অপহৃতদের ঘনিষ্ঠ পারিবারিক একাধিক সূত্র জানিয়েছে,অপহরণের পরদিনই অপহরকারিনা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে দুই লক্ষ ডলার দাবি করেন।

অপহৃত সৌরভ চাকমার বড় ভাই ও সাবেক জাতীয় ফুটবলার কিংশুক চাকমা জানিয়েছেন, গত ১৪ এপ্রিল অপহরণের ঘটনাটি ঘটলেও আমরা উদ্ধারের সুবিধার্থে এবং তাদের নিরাপত্তার কারণে বিষয়টি গনমাধ্যমকে জানাইনি,তবে আইনশৃংখলা বাহিনী ও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত ছিলো এবং এখনো আছে।sourov-chakma

প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল খাগড়াছড়ি থেকে রাঙামাটি আসার পথে মহালছড়ি উপজেলাধীন ক্যাংরাছড়ি এলাকা থেকে অপহৃত হন সৌরভ চাকমা ও নবজিত চাকমা। অপহৃতদের কারা অপহরণ করেছে সেই সম্পর্কে মুখ খোলেনি কেউ, অপহৃতদের পরিবারও কাউকে দায়ি করেনি এখনো।

এদিকে বেশ কয়েটি সূত্র নিশ্চিত করেছে,অপহৃতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ওই এলাকার ব্যাপক তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে এবং সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করছে। অপহৃতদের পরিবারগুলোও সামাজিকভাবে উদ্ধারের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রেখেছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ঘর পেয়ে খুশি কাপ্তাইয়ের গৃহহীনরা

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালি পাড়া মারমা পাড়া গ্রাম। উপজেলা সদর হতে বড়ইছড়ি-ঘাগড়া সড়কে …

One comment

Leave a Reply

%d bloggers like this: