নীড় পাতা » ব্রেকিং » অচিরেই বিরোধপূর্ণ ভূমির মিমাংসার ‘মিটমাট’

রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা

অচিরেই বিরোধপূর্ণ ভূমির মিমাংসার ‘মিটমাট’

পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ার উল হক বলেছেন, বিধিমালাটি পাশ হলেই শুনানি শেষে অচিরেই বিরোধপূর্ণ ভূমির নিষ্পত্তির কাজ শুরু করতে পারবো। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান আরো বলেন, যতদিন কমিশন থাকবে ততদিন ভূমি কমিশন বিরোধপূর্ণ ভূমির আবেদন চলমান থাকবে। স্থায়ী লোক নিয়োগে আইনগত কিছু ব্যাপার আছে। সাময়িকভাবে কাজ এগিয়ে নিতে সরকার অবশ্যই আমাদের সহায়তা করবে এবং নিষ্পত্তির কাজ শুরু হলে সরকার জনবল দিয়ে সহায়তা করবে।

বৃহস্পতিবার রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে কমিশনের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। কমিশনের ৫ম সভাটি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাঙামাটি সার্কিট হাউজের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ার উল হক’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় কমিটির অন্যান্যদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম চাকমা, চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, খাগড়াছড়ি মং সার্কেল চিফ সাচিং প্রু চৌধুরী, বান্দরবান বোমাং সার্কেল চিফ উ চ প্রু চৌধুরী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী ও ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন সচিব আলী সনসুর।

সভা শেষে চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় সাংবাদিকদের বলেন, হয়তো সবার আশা আকাক্সক্ষা অনুযায়ী বিধিমালার বিধানগুলো নাও হতে পারে, তারপরও আইনের যে বিধানাবলি আছে তার সম্পূরক কিছু সাহায্য পাওয়া গেলে আশা করছি কয়েক মাসের মধ্যে শুনানির পর্যায়ে যেতে পারবো। আমার দৃঢ বিশ্বাস, আমরা নিরপেক্ষভাবে কাজ শুরু করতে পারবো। তিনি বলেন, আঞ্চলিক পরিষদ থেকে যেসব প্রস্তাব সরকারের কাছে গেছে এবং আরো যেতে পারে সেগুলো যেন সরকার যথাযথভাবে গুরুত্ব দিয়ে বিধিমালা তৈরি করে।

এসময় বান্দরবান বোমাং সার্কেল চিফ উ চ প্রু চৌধুরী বলেন, আশা করছি খুব সহসাই বিধিমালা তৈরি হয়ে যাবে। এরপর দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

আগামী মাসের ১০ তারিখ পরবর্তী সভার দিন ধার্য করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন পুনর্গঠন শেষে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আনোয়ার আল হককে কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। পরের বছর কমিশন কার্যক্রম শুরুর পর ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন এ পর্যন্ত পাঁচটি সভা করে। এরমধ্যে ভূমি কমিশন বিরোধপূর্ণ ভূমির দরখাস্ত আহ্বান করলে দুই দফায় ভূমি কমিশনে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান তিন জেলা থেকে ৩ হাজার ৯৩৩টি আবেদন জমা পড়ে। তন্মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় ২ হাজার ৮৩৯টি, রাঙামাটি জেলায় ৭৬৯টি, বান্দরবান জেলায় ৩২৫টি। কমিশনে বর্তমানে আবেদন জমা আছে ২২ হাজার ৯০টি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বাঘাইছড়িতে এমএনলারমাপন্থী পিসিপি নেতা খুন

রাঙামাাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) সহযোগী ছাত্রসংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের …

Leave a Reply